নাট্যকার শাহ আলম নূর স্মরণে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠানে অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন - নাট্যকার শাহ আলম নূর ছিলেন বাংলাদেশের সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র ও নাট্য আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব। চলচ্চিত্র ও নাটককে তিনি কেবলমাত্র জীবন ধারনের মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করেননি। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় চলচ্চিত্র ও নাটকের মাধ্যমে মানুষের বিশ^াসের প্রথাগত ধারা ভেঙে দেবার চেষ্টা করেছেন। তিনি চলচ্চিত্র ও নাটকের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক আকিদা ও বিশ^াসে নৈতিক মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিকতা নির্মাণের কাজ করে গেছেন আজীবন-আমৃত্যু। শাহ আলম নূর তাঁর সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে আজীবন মানুষের হৃদয়ে থাকবেন। তিনি যে নাট্য আন্দোলন গড়ে গেছেন তার সতীর্থরা তাঁর অসমাপ্ত কাজ আঞ্জাম দেবেন বলে আমাদের বিশ্বাস। শাহ আলম নূরের প্রতিটি চলচ্চিত্র ও নাটকে থাকতো জীবন গড়ার আহবান। সত্য ও সুন্দরের আহবান। আর সেই আহবানকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ধারন ও বাস্তবায়নের চেষ্টা করে গেছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অভিনেতা আব্দুল আজিজ, বাংলাদেশ চারুশিল্পী পরিষদের সভাপতি কবি ও কার্টুনিস্ট ইব্রাহীম মন্ডল, বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমির সভাপতি শরীফ বায়জীদ মাহমুদ, ব্যারিস্টার পারভেজ হোসেন, বাংলাদেশ সংগীত কেন্দ্রের সহ সভাপতি অধ্যাপক সাইফুল আরেফিন লেলিন, দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সমন্বয়ক মোস্তফা মনোয়ার, পলাশ থিয়েটারের সহ-সভাপতি গাজী সুলতান, কথাসাহিত্যিক মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, নাট্যকার আল হোসাইন পিয়ারু, শিশু সংগঠক হাসান মুর্তাজা, সাংবাদিক হারুন ইবনে শাহাদাত, বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমির সেক্রেটারী ইবরাহীম বাহারী, সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্রের সহকারী সেক্রেটারী শিল্পী লিটন হাফিজ চৌধুরী, অভিনেতা শাহ জাহান কবীর সাজু, আলী হোসেন ফরাজী, মরহুমের পুত্র আলামিন মিন্টু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মরহুম শাহ আলম নূরের জীবনীর উপর একটি ডকুমেন্টরী প্রদর্শনী করা হয়। দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
শাহ আলম নূর : নাট্য আন্দোলনের অগ্রনায়ক - মাহবুব মুকুল

